করোনার( covit-19) গ্রামিন রূপ

করোনার( covit-19) গ্রামিন রূপ
সুবীর নন্দী,ঠাকুরগাঁও

"দুর্বিসহ করে তুললো মানুষের জীবন,পাল্টে দিল মানুষের জীবনধারা।ঘরবন্দি দেশের মানুষ,খতিগ্রস্থ দেশের অর্থনীতি,তবুও উপসমের উপায় এখনো অনাবিষ্কৃত।"
 দীর্ঘ ৪মাস ধরে বাংলাদেশের মানুষ প্রতিটি মুহূর্ত লড়ে যাচ্ছে (covit-19) ভাইরাসটির সাথে।তবুও দিন দিন এর প্রকোপ বেড়েই চলেছে।কিন্তু গ্রামে সচেতনতা কতটুকু???চলুন এক ঝলকে দেখে আসি-

শুরুতে গ্রামের মানুষের ধারণা ছিল ভাইরাসটি শুধু বড় বড় শহর গুলোতেই হানা দেবে।তাই তারা পুরোদমে কাজ করে যেত।সচেতনতা তো দূরের কথা।
কিন্তু যখন গ্রামে আক্রান্ত হতে শুরু করল,তখন কিছু বিত্তবান মানুষ সচেতনতা অবলম্বন করলেও,গ্রামের দারিদ্র মানুষের মতবাদ-“যদি কাজ না করি তাহলে খাব কি?সরকার কি আমাদের বসিয়ে বসিয়ে খাওয়াবে?”
যদিও সরকার ত্রান এর ব্যবস্থা করেছে কিন্তু,তা আর কতজন মানুষের নিকট পৌঁছেছে!! সেসকল ত্রান এর অবস্থান বড় বড় নেতাদের বাড়ির উঠোন পর্যন্ত।তবে কিছু কিছু নেতা মানুষের কথা ভাবে এবং সাহায্যও করে।
তবে বাজারগুলোতে কড়া ব্যবস্থার কারণে এখন প্রায় প্রত্যকে মাস্ক ব্যবহার করে।কিন্তু এ নিয়েও তাদের সমস্যা।যেমন-এটি ব্যবহারে অনেকে বলে দম বন্ধ হয়ে আসে আবার কেউ কেউ অসস্থি অনুভব করে ইত্যাদি ইত্যাদি।অনেকে আবার এমনো করে আইনের লোক দেখলে মুখোশটা পড়ে নিল,আর শঙ্কামুক্ত মনে হলে খুলে ফেললো।খুব নিম্নবিত্ত ছাড়া অনেকেই এখন সাবান ব্যবহারে অভ্যস্থ হচ্ছে।
এবার আসি চিকিৎসা ব্যবস্থার দিকে-চিকিৎসাক্ষেত্রে ডাক্তাররা খুব ভালোই সর্তকতা অবলম্বন করে থাকেন।গত কয়েকদিনে দেখলাম ডাক্তাররা রোগীর বাসায় এসে তাৎক্ষণিক জেনে নেয় রোগীর জ্বর আছে কিনা বা ইত্যাদি ইত্যাদি লক্ষণসমূহ।যদি শোনে রোগির জ্বর বা দুয়েকটা লক্ষণ মিলে গেছে,তাহলে প্রাথমিক কিছু ঔষধ লিখে দেয় আবার কেউ কেউ দূর থেকে দর্শন করে চলে যায়।
শুরুতে মানুষের মনে কিছুটা ভয় থাকলেও তা এখন অনেকাংশে কমে গেছে। গ্রামের মানুষ শহরে যাচ্ছে কাজের খোঁজে,আবার শহর থেকে অনেকে গ্রামে আসছে।এটা বুঝতেও পারছে যে তারা আক্রান্ত হতে পারে।কিন্তু পেটের দায়ে,পরিবারের সুখের আশায় বেরিয়ে পরে দিক-দিগান্তরে এতটুকু কাজের আশায়।যাতে পরিবারের কেউ অনাহারে না থাকে,আর বেশী কাছু দিতে না পারলেও যাতে মুখে অন্তত হাসিটা ফুটিয়ে রাখতে পারে।

Advertisements

Subir Nondi
Author: Subir Nondi

I also love a simple person.who also love the all people.