মরিঙ্গা-কে বলা হয় অলৌকিক পাতা। এটি পৃথিবীর সবচেয়ে পুষ্টিকর হার্ব। গবেষকরা মরিঙ্গাকে বলে থাকেন নিউট্রিশন্স সুপার ফুড এবং মরিঙ্গা গাছকে বলা হয় মিরাকল ট্রি।

– কমলা বা লেবুর থেকে সাত গুন বেশি ভিটামিন সি আছে মরিঙ্গায়।

– ডিম থেকে দুই গুন বেশি প্রোটিন।

– দুধের চেয়ে চার গুন বেশি ক্যালশিয়াম আছে এতে।

– অন্ধত্ব দূরীকরনে ব্যাপক কার্যকারী, কারন এতে আছে গাজর থেকেও চার গুন বেশি ভিটামিন ”এ”।

– মরিঙ্গা এনিমিয়াকেও ধ্বংস করে কেননা শাকের তুলনায় পচিশ গুন বেশি আয়রন রয়েছে এতে।

– কলা থেকে তিন গুন বেশি পটাশিয়াম রয়েছে মরিঙ্গায়

– এটা আমাদের শরীরে এন্টি এজিং হিসেবে কাজ করে, ফলে বয়সের ছাপ পড়তে দেয় না। এছাড়া হার্ট ভালো রাখে, উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে।

– ভায়াগ্রা বা এনার্জি ট্যাবলেট রোজ রোজ খেতে হবে না। নিয়মিত ব্যবহারে যৌন শক্তি বাড়িয়ে তোলে পুরুষ মহিলা উভয়ের দেহেই

– এটি রক্তে সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণ করে।

– কোলেস্ট্রলের লেভেল কমায়, হজম শক্তি বৃদ্ধি করে ও কোষ্টকাঠিন্য দূর করে।

– এজমা রোগীদের জন্য এটা বিশেষ উপকারি, একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে তিন গ্রাম পাতা দুইবেলা করে তিন সপ্তাহ খেলে বিশেষ উপকার পাওয়া যায়।

এছাড়াও শত বছর ধরে প্রায় তিনশরও বেশি রোগের ঔষধ হিসেবে মরিঙ্গা ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

– মরিঙ্গা ক্যান্সার কোষ বৃদ্ধি প্রতিরোধ করে।

– গর্ভধারণের পরবর্তীতে সব মায়েদের জন্য সজিনা পাতা খুবই উপকারী।

– মরিঙ্গায় আরো রয়েছে বিরানব্বই ধরনের পুষ্টি উপাদান, ছেচল্লিশ ধরনের এন্টি অক্সিডেন্ট, আঠারো ধরনের এমিনো এসিড ও আট ধরনের এসেনশিয়াল এমিনো এসিড। তাই মরিঙ্গাকে বলা হয় নিউট্রেশন্স সুপার ফুড, ন্যাচারাল মাল্টিভিটামিন এবং মিরাকেল ভেজিটেবল। আফ্রিকায় যে সমস্ত শিশুরা ম্যালনিউট্রেশনে ভোগে তাদেরকে সজিনা পাতা শুকিয়ে গুড়া করে খাওয়ানো হয়।সজিনা পাতা বিভিন্ন ভাবে খাওয়া যেতে পারে, যেমন ভাজা,রান্না, বড়া,ভর্তা ও শুকিয়ে গুড়ো করে।

– নিয়মিত দৈনিক সেবন শরীরের ডিফেন্স মেকানিজমকে আরো শক্তিশালী করে এবং ইমিউনিটি স্টিমুল্যান্ট হওয়ার দরুন এটি এইডস আক্রান্ত রোগীর ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

– এটি শরীরের হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি করে পুষ্টিবর্ধক হিসেবে কাজ করে।

– শরীরের ওজন কমাতেও ব্যায়ামের পাশাপাশি এটি বেশ কার্যকরী ভুমিকা পালন করে থাকে।

– এটি মায়ের বুকের দুধ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই। এক টেবিল চামচ পাউডারে ১৪% প্রোটিন, ৪০% ক্যালসিয়াম, ২৩% আয়রণ বিদ্যমান, যা ১ থেকে তিন বছরের শিশুর সুষ্ঠ বিকাশে সাহায্য করে। গর্ভাবস্থায় এবং বুকের দুধ খাওয়ানোকালীন সময়ে ৬ টেবিল চামচ পাউডার একজন মায়ের প্রতিদিনের আয়রণ এবং ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ করে থাকে।

– এটির এন্টি-ব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। এটি যকৃত ও কিডনী সুস্থ্য রাখতে এবং রূপের সৌন্দর্য বর্ধক হিসেবেও কাজ করে থাকে।

– এতে ৩৬ টির মত এন্টি-ইনফ্ল্যামমেটরি বৈশিষ্ট্য আছে। এছাড়াও এটি অকাল বার্ধক্যজনিত সমস্যা দূর করে এবং ক্যান্সারের বিরুদ্ধে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

এবার বলি মরিঙ্গা আসলে কি? মরিঙ্গা হলো সজনে পাতা। যা আমাদের আনাচে কানাচে অযত্নেই বেড়ে ওঠে।

এই সজনে পাতাকেই বলা হয় মিরাকল ফুড।

Advertisements
ad sample1
Advertisements
ad sample1
Image may contain: 1 person, text that says 'Spice King কিচ্ছু ভাল্লাগে না? মন ভালো হয়ে যাবে মরিঙ্গার গুণে 17 7times times the Calcium ofMilk 5times the Potassium ofBananas 0times theVitamin ofCarrots 9times the Protein ofYogurt 25 25times times 4times Chlorophyll ofWheatgrass ofSpinach 92Nutrients 2Nutrients 46Antioxidant Omega3,6,9, Zeatin VitaminA-Z'



সুস্বাস্থ্য, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ও অনেক রোগ প্রতিরোধ করতে, ব্রণ-ব্ল্যাক হেড, চোখের নিচের কালি বা চোখের নিচের অংশ ফোলা দূর করে রূপচর্চায়, ওজন কমানোসহ বহুবিধ উপকারে আমরা নিজস্ব তত্ত্বাবধানে সজনে পাতা সংগ্রহ করে সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যকর উপায়ে যত্ন সহকারে মোরিঙ্গা প্রস্তুত করি শুধু আপনাদের সেবা্য়। বাড়ির সকলের সুস্বাস্থ্য এবং দীর্ঘ নিরোগ জীবনে প্রত্যেক পরিবারে দিনটি শুরু হোক মরিঙ্গা দিয়ে।

Advertisements

Written by

aainatv

aaina tv is an online content sharing platform