woman wearing grey long sleeved top photography

ছাগল দিয়ে যেমন হাল চাষ হয় না,
তেমনি সঠিক #কন্টেন্ট ছাড়া
গ্রাহকের আপন হওয়া যায় না
চলুন শিখি , কীভাবে অসাধারণ কন্টেন্ট তৈরি করবেন?

Image may contain: one or more people, text that says 'ছাগল দিয়ে যেমন হাল চাষ হয় না, তেমনি সঠিক কন্টেন্ট ছাড়া গ্রাহকের আপন হওয়া যায় না কীভাবে অসাধারণ কন্টেন্ট তৈরি করবেন? A'

(এটি একটি এ্যাডভান্স লেভেল পোস্ট। না বুঝলে কমপক্ষে তিনবার পড়ুন। এরপর প্রশ্ন করুন। আমরা সবাই কিছু না কিছু শিখতে পারবো আশা করি।)

মানুষ আপনার পণ্য, আপনার পরিষেবা এবং আপনার কোম্পানির বিষয়ে কথা বলার এক দুর্দান্ত উপায় হলো কন্টেন্ট মার্কেটিং।
আপনি যদি কন্টেন্ট #মার্কেটিং-এ নতুন হন তাহলে আপনার কোথা থেকে শুরু করা উচিত?
প্রতিটি ছোট ব্যবসা এবং যারা শুরু করছে তারা কন্টেন্ট মার্কেটিং-এর গুরুত্ব বোঝে। কন্টেন্ট ছাড়া মার্কেট থেকে হারিয়ে যাওয়ার মতো দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। আপনার প্রতিযোগীরা বা আপনি যাদের উপর দৃষ্টি রাখছেন তারা নিয়মিত দীর্ঘ, বিস্তারিত বিবরণ দিয়ে ব্লগ পোস্ট করছেন, পডকাস্ট চালাচ্ছেন, বা ভিডিওর করে ছেড়ে দিচ্ছেন এবং এসব অপ্রতিরোধ্যভাবে করে যাচ্ছেন।

কন্টেন্ট মার্কেটিং নিয়ে আপনি দুশ্চিন্তাটি করছেন তার থেকে মুক্তি দিতে একটি বুদ্ধিদীপ্ত কন্টেন্ট কৌশল নিয়ে আমরা আলোচনা করবো যা আপনার কন্টেন্ট তৈরির প্রক্রিয়াটিকে সহজ করে তুলবে।
কন্টেন্ট মার্কেটিং কৌশল এমন একটি নির্দেশনা যা আপনাকে কেবল কি তৈরি করতে চলেছেন তা আপনাকে জানায় না, বরং কীভাবে আপনি এটি তৈরি করতে চলেছেন, কিভাবে ডিস্ট্রিবিউট করবেন এবং শেষ পর্যন্ত এটি অডিয়েন্সদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে , গ্রাহক ধরে রাখতে এবং কনভার্সন করতে ব্যবহার করবেন তার সবকিছুই জানিয়ে দেয়।

আপনার কন্টেন্ট মার্কেটিং-এর প্রতিটি অংশের নিজস্ব অনন্য বৈশিষ্ট্য এবং বিশদ বর্ণনা রয়েছে যা আপনি বাদ দিতে চাইবেন না। সুতরাং, আসুন আমরা প্রক্রিয়াটির প্রতিটি অংশ আরও গভীর মনোযোগ দিয়ে দেখি যে কীভাবে আমরা একটি সফল কন্টেন্ট কৌশল তৈরি করতে পারি।

# আপনার কন্টেন্ট মার্কেটিং লক্ষ্য সংজ্ঞায়িত করুন
আপনি কী তৈরি করতে চলেছেন তা দেখার আগে আপনি কেন এটি তৈরি করছেন তার উত্তর জানতে হবে।
সমস্ত কন্টেন্ট কোনো একটি লক্ষ্য দিয়ে শুরু হয়। আপনি কীভাবে আপনার প্রচারের সাফল্য পরিমাপ করতে যাচ্ছেন? এটা কি ট্রাফিক দিয়ে? নতুন গ্রাহক? #অ্যাপ ডাউনলোড? কনভার্সন? #সোশ্যাল শেয়ার ও এনগেইজমেন্ট? ভিডিও দেখা? পডকাস্ট #ডাউনলোড? বিক্রয়?

একবার আপনি যদি এই বৃহত্তর লক্ষ্য নির্ধারণ করেন, তবে আপনার আপনার পাঠক বা শ্রোতা, দর্শক, ব্যবহারকারীদের উপর ভিত্তি করে গড় কনভার্সন হারে নির্ধারণ করা আরও সহজ হবে। আপনার প্রকাশিত কন্টেন্টর প্রতি গ্রাহককে আকর্ষণ করাতে হবে, যাতে আপনার লক্ষ্য সফল হয়।
আপনার প্রচুর পরিমাণে সঠিক ট্র্যাফিকের কনভার্সন হার বাড়ানোর জন্য আপনাকে আপনার কন্টেন্ট প্রচার করতে হবে – পাবলিকেশনের সাথে ল্যান্ডিং সিন্ডিকেশন করা, বড় বড় ব্লগে মেনশন করা, ইনফ্লুয়েন্সারদের দ্বারা তাদের অনুসরণকারীদের সাথে শেয়ার করা এবং আরও অনেক কিছু।
কিন্তু এটাই যে শেষ কথা তা নয়। তবে আপনি যত বেশি কন্টেন্ট চালু রাখবেন, কন্টেন্ট-এর পোর্টফোলিও তৈরি করুন এবং প্রচার করবেন, তত বেশি আপনি দেখতে পাবেন কন্টেন্ট মার্কেটিং-এ আপনার ভিত্তিটি কিভাবে মজবুত হয় এবং আপনি সুবিধা মতো পরিবর্তন করুন এবং বিভিন্ন পরীক্ষা চালিয়ে যান।

#আপনার অডিয়েন্স কে বোঝা ও গবেষণা
আপনি কেনো কন্টেন্ট তৈরি করছেন তার স্পষ্ট কারণ প্রতিষ্ঠার পরে, আপনার কন্টেন্ট কারা দেখবে তা সঠিকভাবে বুঝতে হবে।
এটি আপনার অডিয়েন্সদের সম্পৃক্ততা, প্রতিক্রিয়া এবং দিকনির্দেশ দিয়ে প্রকাশ্যে তৈরি করা হয়। সেরা কন্টেন্ট মার্কেটিং কৌশলটি আপনার টার্গেট শ্রোতার কাছে সবচেয়ে বেশি জিজ্ঞাসিত প্রশ্নটির উত্তর দেওয়ার জন্য ডিজাইন করা হয়-তাদের পুরোপুরি জানাতে এবং কনভার্ট করতে।
প্রথম পদক্ষেপটি হলো আপনার আদর্শ শ্রোতার ডেমোগ্রাফিক এবং সাইকোগ্রাফিকগুলো বোঝা।
ডেমোগ্রাফিক হলো অডিয়েন্স-এর পরিমাণগত বৈশিষ্ট্য বা এমন বিষয় যা আপনি খোঁজখবর নিলেই জানতে এবং পরিমাপ করতে পারেন। বয়স, লিঙ্গ, অবস্থান, কাজের শিরোনাম ইত্যাদি। উদাহরণস্বরূপ, আপনি টার্গেট করতে পারেন যে আপনার কন্টেন্টে মার্কেটিং ৩০-৪৫ বছর বয়স্কদের সাথে কথা বলবে, বা কলেজ থেকে সদ্য পাশকরা ২২+ চাকরি প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা করবে।
সাইকোগ্রাফিক্স এমন বিষয় যা আমরা পরিমাপ করতে পারি না। মনোভাব, বিশ্বাস, মূল্যায়ন এবং আগ্রহের মতো বৈশিষ্ট্যসমূহ এর অন্তর্গত। এসব সঠিকভাবে বুঝলে আমরা আরও একধাপ এগিয়ে যেতে এবং বলতে পারবো যে আমাদের কন্টেন্টগুলো নির্বাহীদের সাথে কথা বলে যারা তাদের ব্যবসাটি পরবর্তী স্তরে নিয়ে যেতে চায় তবে কোনও উপায় খুঁজে পায় না।
আপনার অডিয়েন্স-এর ব্যক্তিত্ব তৈরি করা
অডিয়েন্স-এর ব্যক্তিত্ব যা আপনার আদর্শ কাস্টমারদের কাল্পনিক এবং সচরাচর চরিত্র উপস্থাপন করে। এই ব্যক্তিত্বগুলো গড়ে তোলা হয়েছে আপনার আদর্শ গ্রাহকের ভেতরের বৈশিষ্ট্যগুলো লক্ষ্য করে এবং এটি আপনাকে ধারণা দেয় কীভাবে এই মানুষগুলোর সাথে সম্পর্ক স্থাপন করবেন। আপনার তৈরি প্রতিটি ব্যক্তিত্ব’র জন্য, বুলেটযুক্ত তালিকায় তাদের (ডেমোগ্রাফিক এবং সাইকোগ্রাফিক) বৈশিষ্ট্যগুলি লিখুন।
সবশেষে, আপনার গ্রাহকদের লক্ষ্য করে অনুচ্ছেদের আকারে তাদের সম্পর্কে একটি গল্প লিখুন, যা প্রকৃতপক্ষে আপনার অডিয়েন্সের ব্যক্তিত্বের, পরিবেশ এবং অনুভূতিগুলো বর্ণনা করে। তাদের একটি নাম দিন এবং তাদের প্রতিদিনের ক্রিয়াকলাপ বর্ণনা করুন।

# আপনার বর্তমান কন্টেন্ট #আপডেট করুন (যদি আপনি ইতিমধ্যে প্রকাশ করে থাকেন)
আপনার কন্টেন্ট মার্কেটিং পুনরায় মূল্যায়ন করুন এবং যদি কোনো কন্টেন্ট কাজ না করে তবে বিকল্প কিছু ভাবুন।
আপনি যদি ইতিমধ্যে কিছু অন্য ধরনের কন্টেন্ট লিখে যাচ্ছেন বা নির্মাণ করে চলেছেন তাহলে প্রকাশিত কন্টেন্টটিকে আপনার নতুন কন্টেন্ট মার্কেটিং-এর পদ্ধতির স্টাইলে আনার এখনই উপযুক্ত সময়।
এর জন্য, আপনি ঠিক কী ধরনের কন্টেন্ট তৈরি করতে চলেছেন তা স্পষ্ট করে নিতে হবে।
ব্লগ পোস্ট, ভিডিও বা পডকাস্ট যে ফরম্যাট-ই হোক না কেনো আপনি কোন বিষয়গুলির উপরে ধারাবাহিক ভাবে কন্টেন্ট তৈরি করতে চলেছেন?
ব্র্যান্ডভক্সের প্রতিষ্ঠাতা আন্ড্রে গাউলেট এগুলোকে ‘কন্টেন্ট পিলার’ বলে উল্লেখ করেন – টপিক বা বিষয়-ই আপনার ব্লগের ভিত্তি।
উদাহরণস্বরূপ, আপনি যদি কোনও ফিনান্স ব্লগ তৈরি করছেন তবে আপনার মূল কন্টেন্ট’র পিলারগুলো হলো:
• পার্সোনাল ফিন্যান্সের টিপস এবং কৌশল
• আর্থিক স্বাধীনতা খুঁজে পাওয়া মানুষদের সাক্ষাত্কার এবং তাদের গল্প
• ইন্ডাস্ট্রি নিউজ এবং এটি আপনার জন্য কতটা অর্থপূর্ণ
• ফিনান্স বেসিক
এই পিলারগুলো উপস্থাপন করার সাথে সাথে আপনি নিশ্চিত করবেন যে আপনি কন্টেন্ট’র ৩ টি মূল প্রকার গুরুত্ব দিচ্ছেন যা গৌলেট 3 E হিসাবে উল্লেখ করেছেন।
• Engagement: এমন একটি কন্টেন্ট যা আলাপচারিতার মধ্য দিয়ে শুরু হয়, যেমন কোনো একটি জনপ্রিয় বিষয়ের উপর আপনার নিজের মতামত দিয়ে কন্টেন্ট তৈরি করলেন
• Evergreen: এমন কন্টেন্ট যা আপনার ব্যবসায়ের মূল শর্তসমূহ এবং অতীত অভিজ্ঞতা থেকে উল্লেখ করতে পারেন এবং আগামীতেও এসবের আপডেট করতে পারেন
• Events: কোনো বিশেষ ঘটনা বা ঘটনাকে ঘিরে কন্টেন্ট, যেমন কোনও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ বা ঘটনার বড় অংশ।
যদি আপনার কন্টেন্ট ইতিমধ্যে প্রকাশিত হয়ে থাকে তবে এটির দিকে লক্ষ্য করুন এবং দেখুন এটি আপনার নতুন কন্টেন্ট মার্কেটিং-এর দিকনির্দেশনার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কিনা। এটি কি আপনার অডিয়েন্সের সাথে কথা বলে এবং আপনার লক্ষ্যগুলোর জন্য কাজ করে? যদি তা না হয় তবে আপনি এটি আপডেট করতে পারেন বা পরিবর্তন করতে পারেন বা এটি পুরোপুরি বাদ দিতে পারেন।
#একটি ই-মেল তালিকা তৈরি করা শুরু করুন এবং আপনি কীভাবে এটি ব্যবহার করবেন তা জেনে নিন
আপনি কন্টেন্ট যে ধরনেরই তৈরি করছেন না কেন, আপনি এটিকে সঠিক লোকের সামনে তুলে ধরতে চান।
তবে আমরা ডিস্ট্রিবিউশনে আসার আগে, কন্টেন্ট ডিস্ট্রিবিউশনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে অংশটি সম্পর্কে কথা বলা দরকার, ত হলো ই-মেল।
ই-মেল আপনাকে আপনার গ্রাহকদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করতে দেয় এবং আপনাকে তাদের ইনবক্সে নিয়ে যায় – যেখানে অনেকেই প্রতি সপ্তাহে অসংখ্য ঘন্টা ব্যয় করে। যত লম্বা ইমেল তালিকা করবেন, আপনার তৈরি কন্টেন্টর প্রসার তত দ্রুত হবে।
#আইডিয়ার জন্ম দিন এবং কিওয়ার্ড গবেষণা করুন
এ পর্যন্ত আমরা জানি যে আমরা কেন কন্টেন্ট তৈরি করছি এবং কারা আমাদের অডিয়েন্স।
এখন, আপনি তৈরি করতে যাচ্ছেন আপনার অনন্য কন্টেন্ট এবং এটি কীভাবে আপনার কন্টেন্ট মার্কেটিং-এর লক্ষ্যগুলির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে সে সম্পর্কে আলোচনা করা প্রয়োজন।
এই মুহুর্তে হয়তো লেখা, #গ্রাফিক্স ডিজাইন বা শ্যুটিং করে #ভিডিও চিত্র নির্মাণের জন্য অনেক $আইডিয়া রয়েছে। তবে, যখন অন্য ব্যাপারগুলো এর মধ্যে ঢুকে পড়ে তখন সেই প্রাথমিক উত্তেজনা দ্রুত হারিয়ে যেতে পারে।
আপনার কন্টেন্ট মার্কেটিং সফল হওয়ার জন্য, আপনাকে নিশ্চিত করতে হবে যে, আপনি যা তৈরি করছেন তা কোনো রকম আবেগের ফাঁদে পড়ে পড়ে করছেন না এবং তাতে যথাযথ #কৌশল অবলম্বন করছেন।
মহান মার্কেটারগণ তাদের নিজস্ব এজেন্ডা সেট করে, তাই আপনাকে এমন একটি কন্টেন্ট মার্কেটিং ক্যালেন্ডার তৈরি করতে হবে যা আবেগ তাড়িত নয়। বরং, এমন একটি যা পুনরাবৃত্তিযোগ্য কন্টেন্ট দিয়ে পরিপূর্ণ এবং আপনার ব্যবসায়ের লক্ষ্যগুলোর সাথে সরাসরি সম্পর্কিত।
আপনার পিলার পোস্ট বা কন্টেন্ট-এর প্রকারের বিষয়ে আমরা আগে যে আলোচনা করেছি তা আপনাকে কী ধরণের পোস্ট লিখতে হবে সে বিষয়ে সহায়তা করবে। তবে নির্দিষ্ট বিষয়ভিত্তিক কন্টেন্ট সমূহের বিষয়গুলো আলাদা।
এর জন্য আমাদের কিওয়ার্ড গবেষণায় গুরুত্ব দিতে হবে।
মাথা খাটিয়ে নতুন বিষয় আর আইডিয়া বের কুরন: আপনার অডিয়েন্স আগ্রহী এমন কতগুলো বিষয় বা শিরোনামের আইডিয়াি লিখতে শুরু করুন।
¬#আপনি যে কনটেন্টটি তৈরি করতে চান তা নির্ধারণ করুন
ব্লগ পোস্ট, ভিডিও, পডকাস্ট, ইনফোগ্রাফিক্স – এগুলি সবই আপনার কন্টেন্ট কৌশলে থাকেতে পারে, তবে আপনি কীভাবে সেগুলো ব্যবহার করবেন তা আপনার বিষয়।
শেঠ গডিন যেমন বলেছেন, ” মার্কেটিং হলো মানুষকে গল্প বলার কাজ যারা এটি শুনতে চায় এবং তারা অন্যদের কাছেও সেই গল্পটিই শোনায়।
এই বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে গডিন বলেছেন যে আপনার কন্টেন্টে ৪টি গুণ থাকতে হবে:
• আবেগ: আমরা চাই মানুষ কোন আবেগটি অনুভব করুক
• পরিবর্তন: আপনি কীভাবে আপনার পণ্য বা কন্টেন্ট দিয়ে ভিজিটরকে গাহকে পরিবর্তন করছেন? সেই আবেগগুলি কী এমনভাবে পরিবর্তিত হয় যা আপনার ব্র্যান্ডকে সহায়তা করে?
• সতর্কতা: একবার আপনি কাউকে গা্রহক বানিয়ে ফেললে, তাদের জন্য নতুন কিছু আছে-এটা বলার উপর কতটুকু গুরুত্ব দিচ্ছেন?
• শেয়ার: কীভাবে মানুষ একে অপরকে বলতে পারে?
এসব মাথায় রেখে, আসুন কয়েকটি সর্বাধিক জনপ্রিয় কন্টেন্ট ফর্ম্যাট, ব্লগ পোস্ট, ভিডিও এবং পডকাস্ট; একত্রিত করে বিষয়গুলি বিবেচনা করে দেখি।
কন্টেন্ট মার্কেটিং হিসাবে #ব্লগিং
#ব্লগ পোস্টগুলো আপনার কন্টেন্ট তৈরি শুরু করার জন্য দারুণ। আপনার ডিজাইনার বা বিশেষ টুলের দরকার নেই। শুধু লিখতে শুরু করুন এবং আপনি চালিয়ে যান।
• আপনি যা বলতে চান তার একটি পরিকল্পনা দিয়ে শুরু করুন। এর অর্থ সূচনা এবং লোকেরা কেনো আপনার বিষয়কে গুরুত্ব দেবে তার উপর কয়েকটি লাইন থাকা , পাশাপাশি প্রধান পয়েন্টগুলো যা আপনি পুরো পোস্ট জুড়ে বিস্তারিত আলোচনা করতে চলেছেন। এটি লেখার পর মনোযোগ দিয়ে পড়ুন। এটা বোঝা যায় না? আপনার রূপরেখা কি কী, কেন, কিভাবে এবং কোথায়- এই প্রশ্নগুলোর উত্তর দেয়?
• বিশদ বিবরণ, পরিসংখ্যান, উদ্ধৃতি, চিত্র বা কেস স্টাডি হলো কন্টেন্ট-এর মশলা। আপনার বিষয়কে ঘিরে পরিসংখ্যান সার্চ করতে গুগল ব্যবহার করুন। এবং যখন আপনি স্টাডি বা রেফারেন্সগুলোতে লিঙ্ক আউট করেন, আপনার কন্টেন্ট শেয়ার করার পর লিংকগুলো পাঠকদের জন্য সন্তুষ্টির কারণ।
• আপনি একটি ভাল পোস্ট লিখেছেনন, তবে একটি সেরা নয়। পোস্ট-এর মানোন্নয়ন করুন এবং দেখুন প্রতিযোগীরা কি করছে। আপনার টপিকের জন্য #১ সার্চ রেজাল্ট কী, তারা কিভাবে উপস্থাপন করেছে এবং আপনি আপনি কীভাবে নিজের পোস্টটি আরও ভাল করতে পারেন? আপনাকে কি আরও গভীরভাবে বর্ণনা করতে হবে? আরও ছবি বা রিসোর্চ যুক্ত করতে হবে কি?
• একটি দুর্দান্ত শিরোনাম লিখুন: লেখার শেষ এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশটি হলো শিরোনাম লেখা। আপনি যখন সোশ্যাল মিডিয়াতে স্ক্রোল করছেন তখন আপনি কেবল সেই বিষয়গুলিতে ক্লিক করেন যা আপনার মনের মতো। কপিব্লগার এবং কুইসপ্রাউটে শিরোনাম লেখার উপর আলোচনা রয়েছে।
• ফিচার্ড ইমেজ যুক্ত করুন: পোস্ট দেখার আগে অডিয়েন্স ছবি দেখা পছন্দ করে এবং পোস্টের ছবি আপনাকে টুইটারে ১৮% বেশি ক্লিক, ৮৯% বেশি ফেবারিট, এবং ১৫০% রিটুইট দেয়। আনস্প্ল্যাশের সাইটটি থেকে ভালো ছবি পাবেন এবং তারপরে এতে টেকস্ট বা আইকন যুক্ত করতে ক্যানভার মতো একটি টুল ব্যবহার করুন।
কন্টেন্ট হিসাবে ভিডিও
সাম্প্রতিক গবেষণা অনুসারে, বিশ্বব্যাপী মার্কেটিং পেশাদারদের মধ্যে ৫১% ROI হিসাবে ভিডিওর কথাই বলে এবং একটি সামাজিক ভিডিও, যেকোনো টেক্সট এবং ছবি’র সংমিশ্রণের চেয়ে ১২০০%% বেশি শেয়ার হয়।
তবে, ভিডিও তৈরি করা একটি বিশাল ব্যাপার মনে হতে পারে যদি আপনি হাইলি প্রডিউসড কন্টেন্টবিানাতে চান, যে কন্টেন্ট তৈরি করতে ডেডিকেটেড টিম থাকে।
আপনার সে জন্য লাগবে স্পেশাল গিয়ার, স্টুডিও, আলো, সাউন্ড ইত্যাদি, তাই না?
আপনি যদি রান্নার রেসিপি বা DIY, হাউ টু ড বা কিভাবে করবেন ধরনের ভিডিও অনলাইনে দেখেন তবে আপনি জানেন যে একটি আকর্ষক ভিডিও তৈরি করা কত সহজ। আপনি যা তৈরি করতে যাচ্ছেন, উপকরণ, প্রক্রিয়া এবং শেষ ফলাফল, সব মিলিয়ে ৬০ সেকেন্ড বা তারও কম সময়ে পুরো ভিডিও উপস্থাপন করুন।
• ভিডিও সংক্ষিপ্ত রাখুন: খুব বেশি হলে সেকেন্ডের নীচে রাখুন। যদি আপনি এটি ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে রাখতে পারেন তবে আপনি হয়তো মূল বিষয় হারিয়ে ফেলতে পারেন
• একটি পরিকল্পনা করুন: আপনার প্রয়োজনীয় উপাদানগুলি বা প্রপসগুলি বা কীভাবে আপনি পদক্ষেপগুলো দেখাতে চাইছেন সম্পর্কে চিন্তা করুন
• আপনার #ইউজারদের সাথে যোগাযোগের জন্য হাতের ইশারা ব্যবহার করুন: কতগুলো ভিডিও কথা ছাড়াই দেখানো হয়, তাই ইউজারদেরকে তথ্য জানানোর জন্য ইশারা প্রয়োগের কথা কথা ভাবুন
• আপনার টুলস ব্যবহার করুন: ভিডিও শ্যুট করতে শুরুর দিকে টেবিলের উপর দু’টি বইয়ের গাদির রেখে এদের উপরে একটি তক্তা দিয়ে সাধারণ কাঠামো তৈরি করতে পারেন। আপনার ক্যামেরাটি তক্তার এক দিকে রাখুন এবং আপনার ক্যামেরা অ্যাপটি চালিয়ে দিন। আপনি টেবিলের সামনে আপনি একটি ‘মঞ্চ’ সেট করতে পারেন এবং দাঁড়িয়ে বা বসে আপনার বক্তব্য পেশ করতে পারেন বা যা দেখাতে চান দেখাতে পারেন
• আপনার উপকরণগুলো সংগ্রহ করুন: ভিডিও সংশ্লিষ্ট উপকরণগুলো একসাথে একবারে নিয়ে শুরু করুন বা বা সেগুলি আপনার মঞ্চে সাজিয়ে রাখুন
• ভিডিও নিখুঁত হওয়ার বিষয়ে চিন্তা করবেন না: ডিআইওয়াই ভিডিওগুলি প্রতিদিন ভাইরাল হয়। আপনি যদি স্বল্প সময়ের মধ্যে একটি আকর্ষণীয় গল্প বলতে পারেন তবে আপনি এটি আপনার আইফোন এন্ড্রয়েড নাকি পেশাদার ক্যামেরায় শুট করেছেন তাতে কিছু আসে যায় না।
কন্টেন্ট মার্কেটিং হিসাবে পডকাস্টিং
পডকাস্টগুলি এখন একটি কন্টেন্টর ফর্ম্যাট হিসাবে ভীষণ হট, এবং সঙ্গত কারণে এটি বিশাল ব্লগ পোস্ট লেখার তুলনায় তুলনামূলকভাবে কম চেষ্টা করে আপনার কন্টেন্ট কে আরও সমৃদ্ধ করে তুলতে পারে।
এছাড়াও, আপনার অডিয়েন্স যতই ব্যস্ত থাক, তারা স্বাচ্ছন্দ্যে আপনার কন্টেন্ট টি শুনতে পারেন। যাইহোক, আপনি সম্ভবত ভাবছেন এর জন্য ভিডিওর মতো সব ধরনের স্পেশাল গিয়ার এবং দক্ষতা প্রয়োজন। অডিও হলো সহজ একটি বিষয়, আপনি একটু চেষ্টা করেই শুরু করতে পারেন।
• বিষয় বা নির্দিষ্ট অডিয়েন্স বেছে নিন: আপনি যদি ইতিমধ্যে আপনার অডিয়েন্স এবং আপনার বিষয়টি জানেন তবে এটি কোনও কঠিন বিষয় না। তবে অডিয়েন্স আগ্রহী হওয়ার জন্য আপনি আপনার কিছু নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর আলোকপাত করবেন। এখন লাখ লাখ পডকাস্ট শো রয়েছে, সুতরাং বিষয় নির্দিষ্ট করে নিন! নির্দিষ্ট অডিয়েন্স নিয়ে গবেষণায় সহায়তা করার জন্য কয়েকটি টুল হলো কাস্ট.মার্কেট (পডকাস্টগুলোর জন্য একটি গবেষণা পেইজ), আইটিউনস চার্ট (জনপ্রিয় কোনগুলো এবং কোথায় চাহিদা অপূর্ণ রয়েছে তা জানতে) বর্তমানে আলোড়ি বিষয়গুলো থেকে পডকাস্টের আইডিয়া নিন তাতে অডিয়েন্স বেশি আকৃষ্ট হবেন
• পডকাস্টের যন্ত্রপাতি সংগ্রহ করুন: আপনার ভয়েস রেকর্ডিংয়ের জন্য একটি মাইক্রোফোন এবং সফ্টওয়্যার নিয়ে একটি বেসিক পডকাস্টিং সেটআপ করতে পারেন। এটি আপনার বিল্ট-ইন মাইকের মতোই সহজ, এছাড়াও কোনও এক্সটারনাল ইউএসবি মাইক, অডিও ইন্টারফেস এবং পেশাদার রেকর্ডিং সফ্টওয়্যার হতে পারে। একটি এটিআর২১০০ ইউএসবি মাইক্রোফোন দুর্দান্ত রেকর্ড করে। এটি সুপার সাশ্রয়ী মূল্যের, দামের তুলনায় দারুণ অডিও মান এবং এটি ছোট এবং সহজে বহনযোগ্য বলে সহজে নিয়ে চলাফেরা করা যায়
• অতিথি আমন্ত্রণ করুন (বা আপনার নিজের অনুষ্ঠানের রূপরেখা পরিকল্পনা করুন): আপনি যদি কোনও সাক্ষাৎকার স্টাইলের অনুষ্ঠান পরিকল্পনা করেন তাহলে শুরুতেই কিছু অতিথিদের জোগাড় করতে হবে। আপনি চিনেন, জানেন বা আপনার সাথে টুইটার বা ফেইসবুকে যোগাযোগ রয়েছে এমন বিশিষ্টজনদের সাথে যোগাযোগের জন্য সামাজিক নেটওয়ার্কটি ব্যবহার করতে পারেন। নির্দিষ্ট অডিয়েন্সদের জন্য নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর লেখক বা বিশেষজ্ঞগণদের স্মরণাপন্ন হোন। একবার আপনি এমন জনদের একটি তালিকা তৈরি করার পরে, একটি টেম্পলেট আউটরিচ ই-মেল-এর রাখুন (আপনি এটি বার বার করতে থাকবেন) যা সংক্ষিপ্ত এবং কি করতে চলেছেন তা পরিষ্কারভাবে উল্লেখিত থাকবে। আপনি কে, আপনার পডকাস্ট কোন বিষয়ে এবং আপনি তাদেরকে কোন বিষয় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করবেন তা তাদের জানিয়ে দিন
• পডকাস্ট সম্পাদনা করুন: অডিও সম্পাদনা একটি শিল্পের ধরন। আশার কথা হলো আপনার প্রতিটি একসাথে জুড়ে দেওয়ার জন্য সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার বা পডকাস্ট প্রডিউসার নিয়োগের প্রচুর সাশ্রয়ী বিকল্প ব্যাবস্থা রয়েছে। শুরু করতে, আপনার একদম প্রয়োজনীয় ৪ টি ফাইল: মূল সাক্ষাতৎকার, ভূমিকা, আউটরো এবং জিংগেল/সংগীত। এরপরে, এই ফাইলগুলিকে গুগল ড্রাইভ বা ড্রপবক্সে আপলোড করুন।
• আপলোড এবং প্রচার করুন: অভিনন্দন! আপনার কাছে এখন একটি পডকাস্ট পর্ব রয়েছে যা আইটিউনস, সাউন্ডক্লাউড বা অন্য কোথাও আপলোড করা এবং আপনার বাকী কন্টেন্টর পাশাপাশি প্রচারিত হওয়ার জন্য তৈরি। আপনার অতিথিদের রেডি কোনো কপি এবং আপলোডের পর সোশ্যাল লিংক পাঠিয়ে দিন যাতে তারাও তাদের পর্বগুলোর প্রচারের জন্য শেয়ার করতে পারেন। এর সাথে আকর্ষণীয় ছবি বা গ্রাফিকস দেয়া যায় তবে এটি প্রচুর পরিমাণে প্রচারণায় সহায়তা করে।
#কোন কৌশলগুলি আপনি অবলম্বন করবেন তার একটা রূপরেখা তৈরি করুন
এখন আপনার নিজের কন্টেন্টগুলো একসাথে রেডি আছে, আপনি কীভাবে এগুলো প্রচার বা শেয়ার করতে যাচ্ছেন? আপনার মার্কেটিং-এর প্রচেষ্টার সাথে আপনাকে বাস্তবায়নমুখী হতে হবে, কারণ আপনার তৈরি করা শ্রম, অর্থ এবং সময় লাগানো কন্টেন্টটি যদি কেউ না দেখে, না শোনে বা না পড়ে, তবে তার মূল্য কি রইলো?
• আপনার প্রতিযোগীদের লক্ষ্য করুন: তারা কী করছে, তারা কোথায় প্রকাশ করছে এবং তারা কীভাবে ই-মেল ব্যবহার করছে? আপনার কাস্টমাররা ইতিমধ্যে কি দেখছেন তা বোঝার চেষ্টর করুন
• গুগলে প্রাসঙ্গিক বিষয় সার্চ করুন: শীর্ষ ১০ রেজাল্ট লক্ষ্য করুন এবং দেখুন সেখানে কী আছে? তাদের কন্টেন্ট কতখানি দীর্ঘ, তারা কোন ছবি ব্যবহার করছে? কন্টেন্ট সামঞ্জস্যপূর্ণ বা দারুণ কিনা?
• নিজেকে জিজ্ঞাসা করুন: আপনি এবং আপনার টিম আসলে কোন বিষয়ে ভাল? আপনার প্রতিযোগি যে ধাঁচে কাজে করছে তাতে আপনি কীভাবে তাকে অতিক্রম করে যেতে পারেন? আপনার অডিয়েন্সদের মধ্যে এমন কেউ আছে যাদের আপনি পরিষেবা বা পণ্য দিতে পারছেন না? আপনি এমন কি তৈরি করেছেন যে আপনি সবচেয়ে গর্বিত?
এই ৩টি পদক্ষেপ থেকে আপনি এমন কিছু সুযোগের সন্ধান পাবেন যা ইতিমধ্যে প্রতিযোগীদের কেউ ব্যবহার করেনি।
#আপনার কন্টেন্ট প্রচার করতে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করুন
সোশ্যাল মিডিয়া কৌশল বাদ দিয়ে আপনার কন্টেন্ট মার্কেটিং কৌশলকে আলাদাভাবে চিন্তা করার কোনো সুযোগই বর্তমানে নেই।
ভাইনারমিডিয়ার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা গ্যারি ভাইনারচুক বলেন: “আমি সোশ্যাল মিডিয়া পছন্দ করি কারণ এটি অকল্পনীয়ভাবে বিক্রি করে।”
সোশ্যাল মিডিয়া আপনার কন্টেন্টকে সঠিক অডিয়েন্সের কাছে পৌঁছানোর জন্য কন্টেন্ট মার্কেটিং-এর একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হয়ে উঠেছে। তবে একবার বা দু’বার ফেসবুক এবং টুইটারে পোস্ট করার চেয়ে আরও বেশি কিছু আপনাকে করতে হবে। গ্যারির কৌশলটি হলো টার্গেট অডিয়েন্স কে খুঁচিয়ে যাও, খুঁচিয়ে যাও আর খুঁচিয়ে যাও এবং এটি সমস্ত বিক্রয় পরামর্শগুলোর মধ্যে সেরাগুলোর একটি। গ্যারি বলেন- “আমার সোশ্যাল মিডিয়া কৌশলটি হ’ল যে আপনি মূলত যে কাস্টমারদের আপনার পণ্য ক্রয়ে উদ্বুদ্ধ করছেন তাদেরকে মূল্যায়নর করা। সুতরাং অবশেষে আপনি যখন তাদেরকে কোনো কিছু কেনার কথা বলছেন তখন তারা তা কিনে ফেলে।”
এ প্রসঙ্গে বলতে গেলে বিষয়টা শুধু আপনার কন্টেন্ট সম্পর্কে আলোচনা এবং অডিয়েন্সদের একটি লিঙ্কে ক্লিক করতে বা আপনার নিউজলেটারে সাবস্ক্রাইব করতে বলা নয়। বরং, আপনাকে দেখাতে হবে যে আপনি শিক্ষামূলক কন্টেন্ট-এর একটি বিশ্বাসযোগ্য উৎস এবং আপনি যখন চাইবেন তারা কিছু করুক তখন তারা সে বিষয়ে গুরুত্ব দেবে।
আপনার কন্টেন্ট মার্কেটিং-এর মূল একটি বিষয়ে বিশ্বাস রাখা দরকার যে এটি আপনার মূল্য তৈরিতে দীর্ঘমেয়াদী (আজীবন) একটি বিনিয়োগ।
সোশ্যাল মিডিয়ার বড় ছবি থেকে পোস্টগুলোর প্রেক্ষাপটের দিকে মনোযোগ সরিয়ে , বাফারের ডিজিটাল কৌশলবিদ এবং সহযোগী কন্টেন্ট মার্কেটর ব্রায়ান পিটারস তার নিজস্ব একটি প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করেন এভাবে:
আপনার কথা সন্ধান করুন: আপনি যে শব্দটি এবং গ্রাফিক্স এবং ভিজ্যুয়াল পোস্ট করতে চলেছেন তা আসলে কী? আপনি কি মেলচিম্পের মতো উদ্দীপনা বা আইবিএম বা সিসকোর মতো আরও বোতামযুক্ত হয়ে যাচ্ছেন?
আপনি কোন প্ল্যাটফর্মগুলি ব্যবহার করছেন তা বেছে নিন: আপনি যখন সবে শুরু করতে যাচ্ছেন তখন প্রতিটি প্ল্যাটফর্মে আপনি থাকতে পারবেন না এবং থাকা উচিতও নয়। সেই প্লাটফর্শই বেছে নিন আপনার ব্র্যান্ডের জন্য সর্বাধিক অর্থপূর্ণ এবং আপনার অডিয়েন্সরা সবেচেয়ে বেশি আড্ডা দেয়। ফেসবুক বা স্ন্যাপচ্যাট কি সেই জায়গা?
প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক কন্টেন্ট তৈরি করুন: আপনি মূল ব্লগ পোস্ট বা অন্যান্য কন্টেন্ট থেকে ও কন্টেন্ট তৈরি করতে পারেন, কিংবা প্রাসঙ্গিক লিঙ্ক বা ভিডিওর মতো অন্যের কন্টেন্টও ব্যবহার করতে পারেন। উভয়েরই নিজস্ব ভূমিকা রয়েছে এবং এটি আপনার কৌশলটির একটি অংশ হওয়া উচিত। কন্টেন্ট কীভাবে ব্যবহার হয় এবং অডিয়েন্স কীভাবে শেয়ার করে সে সম্পর্কে প্রতিটি প্ল্যাটফর্মের নিজস্ব স্বাতন্ত্র্য এবং বৈচিত্র্য রয়েছে।
আপনার ব্যবসা এবং আপনার সম্পর্কে ভালোভাবে বলতে বা জানাতে পারলেই গ্রাহকের সাথে আপনার সম্পর্ক দৃঢ় হবে। নিয়মিত ভালো কন্টেন্ট-এর জন্য গ্রাহক বা ্পানার ফলোয়ার রা অপেক্ষা করে। আপনি ভুল শুদ্ধ, ঠিক বেঠিক বিবেচনা করে শুরু করুন। আপনার ব্যভসার যে লক্ষ্য নিয়ে কন্টেন্ট লবানাচ্ছেন সেই লক্ষ্য বা কথঅগুলো কি

Advertisements

Written by

aainatv

aaina tv is an online content sharing platform